অনিয়মিত মাসিক বা ইরেগুলার মেনস্ট্রুয়েশন হলে কি করবো

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

rupcare_mens

অনিয়মিত মাসিক ও ঋতুস্রাব একটি মেয়েলি সমস্যা৷ মাসিক সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হয়৷ অবশ্য কখনও কখনও দুই একদিন আগে পিছে হতে পারে৷ যদি ২১ দিনের আগে অথবা ৩৫ দিনের পর হয় তবে এটাকে অনিয়মিত মাসিক বলা হয়৷ যৌবনের প্রারম্ভে বা যৌবনের শেষ পর্যায়ে এরকম সমস্যা দেখা দেয়৷

কারণ
* স্ত্রী (ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন) হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে
* জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করলে
* জননাঙ্গের যক্ষা, গণোরিয়া, সিফিলিস, এইডস, ডায়াবেটিস প্রভৃতির কারণে হতে পারে৷
* সন্তান প্রসবের পর পরও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে
* মানসিক কারণ
* হঠাত্ অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি
* রক্তস্বল্পতা

লক্ষণ
* মাসে ২/৩ বার মাসিক বা ঋতুস্রাব হতে পারে
* শুরু হওয়ার ১/২ দিন পরই শেষ হয়ে যায় এবং কয়েকদিন পর আবার শুরু হয়
* একনাগাড়ে অনেকদিন ধরে চলতে পারে
* কোনো কোনো সময় স্বল্পকালীন মাসিক দেখা যায় এবং পরবর্তীতে মাসিক শুরু হলে তা প্রায় ২/৩ মাস পর্যন্ত চলতে থাকে
* রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া দেখা দিতে পারে
* ক্ষুধামন্দা ও শরীর দুর্বল বোধ হয়
* মেজাজ খিটখিটে ও অশ্বস্তি বোধ
* রুগ্নতা ও সাংসারিক অশান্তি দেখা দিতে পারে৷

জটিলতা
* সন্তান ধারণে অক্ষমতা বা বন্ধ্যাত্ব দেখা যেতে পারে
* অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হতে পারে
* টিউমার ও ক্যান্সারজনিত হলে সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মৃত্যুও হতে পারে

চিকিত্সা
* রোগীকে সম্পূর্ণরূপে বিশ্রামে থাকতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে
* মানসিকভাবে আস্বস্ত হতে হবে
* রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে রক্ত দিতে হবে
* পুষ্টিকর খাবার ও হালকা ব্যায়াম করতে হবে

পরামর্শ
* এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অস্থির না হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে৷
* রোগীকে মানসিকভাবে আশ্বস্ত করতে হবে৷

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedin