আবেগপ্রসূত ভালোবাসায় জড়ানোর সময় জেনে নিন ১০টি বিষয়

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

আবেগ থেকেই আসে প্রেম ও ভালোবাসা। তবে আবেগপ্রসূত ভালোবাসা ভিন্ন ধরনের মন-মানসিকতার প্রকাশ ঘটায়।  এ সম্পর্কে ১০টি বিষয় জেনে নিতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. বাহ্যিক সাধারণ সম্পর্ক ছাড়িয়ে যখন কারো প্রতি আপনি গভীরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তখনই আবেগপ্রসূত ভালোবাসার উদয় হয়।

২. এ ধরনের ভালোবাসায় যৌনতার প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি দুজন মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই আবেগপ্রসূত প্রেমে পড়তে পারেন একে অপরকে না দেখেই। এই সম্পর্ক যৌনতার সম্পর্কের চেয়েও গভীর হয়ে উঠতে পারে।

৩. বৈবাহিক জীবনে একজন যদি তার আবেগীয় প্রয়োজন মেটাতে বাইরের কারো প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন, তবে এ ক্ষেত্রে প্রথমজনের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়ে কোনো দোটনা কাজ করে না।

৪. বিয়ে অর্গানিক বিষয়। এই সম্পর্ককে শক্তিশালী করে তুলতে সেবা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আবেগপ্রসূত ভালোবাসায় পড়ার অর্থ হচ্ছে বিয়ের সম্পর্কের বৃক্ষে বিষ ঢালা।

৫. যৌন সম্পর্কের প্রেমের জন্যে আবাগীয় ভালোবাসা হুমকি হয়ে দেখা দেয়। এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়। সত্যিকার অর্থে ‘আমাকে বোঝে’ এমন একজনের খোঁজে ব্যস্ত থাকে মন। তখন ওই মানুষটি জীবনে আসলে আরো সুখ আসবে বলে এক ধরনের ফ্যান্টাসিতে থাকে মন।

৬. অন্যের প্রতি আবেগীয় ভালোবাসার জন্ম হয় একান্ত ব্যক্তিগত অভিরুচী ও সম্পর্কের চাহিদা থেকে। এই ভালোবাসা জন্মালে প্রাথমিক সম্পর্কের প্রতি কিছুটা শত্রুভাবাপন্ন হয়ে ওঠে মন। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দম্পতির মধ্যে ডিভোর্সের মাধ্যমে এর ইতি ঘটে।

৭. যদি বিয়ের কারণে আবেগপ্রসূত ভালোবাসা জন্মায় এবং দাম্পত্য জীবনটাকে ধরে রাখতে চান, তবে সে ক্ষেত্রে একজন পরামর্শকের শরণাপণ্ন হওয়া জরুরি।

৮. এসব ক্ষেত্রে একজন থেরাপিস্ট কয়েকটি দিক বিবেচনা করেন। এগুলো হলো- শুরু, সন্দেহ ও অস্বীকার, আবেগতাড়িত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া এবং ওই পথে গা ভাসিয়ে দেওয়া। এই প্রতিটি ক্ষেত্রকে পরিষ্কার করতে হবে চিকিৎসকের কাছে।

৯. আবেগতাদিত ভালোবাসা যদি আত্মসম্মানবোধের অভাব, ব্যক্তিগত সমস্যা, অপ্রতুল আবেগ অথবা প্রতারণার অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেয়, তাহলে একজন চিকিৎসকের কাছে যাওয়াটা বাঞ্ছনীয়।

১০. এ ধরনের ভালোবাসা হাত থেকে বিবাহিত জীবনটাকে বাঁচাতে বিশ্বাস ও আস্থা ফিরিয়ে আনাটাই অন্যতম প্রধান শর্ত। এর অভাবে আবেগতাড়িত হয়ে মানুষ তার ধ্বংসের দিকে এগোবেই।

তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ