ঝলমলে ত্বকের জন্য চাই ফল

rupcare_fruits for skin care

বয়সের ছাপ পড়া প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। তবে সময়ের আগেই ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া মোটেই কাম্য নয়। দীর্ঘদিন ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে এসব ফল খেতে পারেন।

ফল স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারী তেমনি ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্যও জরুরি। রূপচর্চায় ফলের ব্যবহার নতুন নয়। তবে শুধু ত্বকের উপরের যত্নে নয়, ভিতর থেকে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে নিয়মিত ফল খাওয়া উচিত।

স্বাস্থ্য ও রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ত্বক ঝলমলে রাখতে সাহায্য করবে এমনই কিছু ফলের উপকারীতা বর্ণনা করা হয়।

কমলা:

ভিটামিন সি’য়ের অন্যতম উৎস কমলা। ত্বকের কোলাজেন গঠনে এই ভিটামিন বিশেষভাবে জরুরি। তাছাড়া বয়সের ছাপ ঠেকাতে সাহায্য করে কমলার রস। ত্বকে তাজা কমলার রস নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ, বলিরেখা দূর হয় এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া লোমকূপগুলো ভিতর থেকে পরিষ্কার হয়। শুধু রস নয় কমলার খোসাও ত্বকের জন্য উপকারী।

আপেল:

ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে এই ফলের জুড়ি নেই। এই ফলে আছে ত্বকের জন্য উপকারী উপাদান কপার এবং ভিটামিন সি। আরও আছে পটাশিয়াম, যা ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপে:

পুষ্টিকর এই ফলে রয়েছে বিশেষ কিছু এনজাইম। যা ওজন কমানোর পাশাপাশি হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বকের তারুণ্য ধরে রেখে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে পেঁপে। বিভিন্ন ফেইস-প্যাকে পেঁপে ব্যবহার করা যায়। আর পেঁপের কালো দানাও ফেলনা নয়।

তরমুজ:

গ্রীষ্মে শরীরের পানির চাহিদা পূরণের জন্য তরমুজ খাওয়া উপকারী। তেমনি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে লাবণ্যময় করে তুলতেও এই ফল বেশ কার্যকর। এতে আছে ভিটামিন সি এবং এ, যা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার গতি কমিয়ে আনে। লোমকূপ সংকুচিত করে তেল নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া টুকরা তরমুজের টুকরা ‘ক্লিনজার’ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

বেদানা:

বেদানায় রয়েছে পিউনিসিক ও অ্যালাজিক অ্যাসিড এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আরও আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকের কোষ গঠনে সাহায্য করে। বেদানা লোহিত রক্ত কণিকা তৈরিতেও সাহায্য করে। এই ফলে আরও আছে উপকারী খনিজ উপাদান, ভিটামিন এ, সি এবং ই। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ত্বক ঝলমলে রাখতে সাহায্য করবে এই ফল।

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedin