পেটের মেদ কমাতে ৮টি কৌশল

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

rupcare_belly fat reduction

একটু বাড়তি ওজন দেখতে বেশি খারাপ না লাগলেও পেটের মেদ দেখতে একটু বেশিই খারাপ লাগে। কিন্তু এই পেটের মেদ আমাদেরই অনিয়ম এবং বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। একটু-আধটু মেদ সাধারণ ডায়েট এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে কমিয়ে ফেলা যায়। কিন্তু বেশি মেদ জমলেই সমস্যা। কিছুতেই পিছু ছাড়তে চায় না। বরং বাড়তেই থাকে এই পেটের মেদ। কিন্তু এই জমে থাকা মেদ নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। মেদ কমানোর উপায় বের করতে হবে। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল পেটের মেদ দ্রুত ও সহজে কমানোর ৮টি দারুণ “অব্যর্থ” কৌশল।

দিন শুরু করুন লেবু গরম পানি দিয়ে
সকালে খালি পেটে খান এক গ্লাস লেবু পানি। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক ফালি লেবু চিপে নিয়ে এতে ১ চিমটি লবণ মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে পান করুন এই লেবু গরম পানি। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড এবং গরম পানি উভয়ই পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করবে।

rupcare_belly fat reduction2ভাত খাওয়া বন্ধ করুন
ভাত খেলে পুরোটাই পেটে মেদ হিসেবে জমা হয়। ভাতের পরিবর্তে লাল আটার রুটি খান। মেদ কমবে। যদি নিতান্তই ভাত খেতে হয় তবে এক কাপের বেশি ভাত খাবেন না।

চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
যেসব খাবারে চিনি রয়েছে সেসব খাবার খাওয়া বন্ধ করুণ। চিনি জাতীয় খাবার পেটে মেদ জমায়। চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করুণ।

দৈনিক ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন
যদি পেটের মেদ দ্রুত কমাতে চান তবে অবশ্যই প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। পানি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং দেহের টক্সিন দূর করে পেটের মেদ কমতে সাহায্য করে।

নিয়মিত কাঁচা রসুন খান
গন্ধের কারণে অনেকেই কাঁচা রসুন থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু যদি দ্রুত পেটের মেদ কমাতে চান তবে নিয়মিত কাঁচা রসুন খাবেন। কাঁচা রসুন দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও মেদ ক্ষয় হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২/৩ কোয়া রসুন খাবার অভ্যাস করুণ।

শাকসবজি খাবার অভ্যাস করুনrupcare_belly fat reduction1
অনেকরই মাছ-মাংসের প্রতি আগ্রহ থাকে বেশি। এবং সবজি খাবার কথায় অনীহা প্রকাশ করেন। কিন্তু মাছ মাংসে প্রোটিনের পাশাপাশি ফ্যাট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে যা দেহে মেদ জমায়। শাকসবজিতে আছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং পরিমিত ফাইবার। তাই পেটে মেদ জমতে দিতে না চাইলে শাকসবজি খান। মাছমাংস খাবার পরিমাণ কমিয়ে দিন।

মৌসুমি ফলমূল খান
সকালে, দুপুর, বিকাল এবং রাতের খাবারের তালিকায় ১ বাটি ফল রাখুন। এতে আপনার কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট কম খাওয়া হবে। ফলে আপনি দ্রুত মেদ কমাতে সক্ষম হবেন। অনেকে মনে করেন ফলের চাইতে ফলের জুস খাওয়া ভালো। কিন্তু ফলের জুস ফ্যাট বাড়ায়। কারণ জুসে ফলের কোন ফাইবার থাকে না এবং স্বাদের জন্য এতে কিছুটা মিষ্টি যোগ করা হয়। সুতরাং ফলেরজুসের পরিবর্তে ফল খান।

খাবারে যোগ করুন কিছু মসলা
দারুচিনি, আদা, গোল মরিচ জাতীয় মসলা যুক্ত খাবার খান। এইসব মসলা দেহের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। রান্নায় দারুচিনি, আদা ও গোল মরিচ যোগ করে রান্নার স্বাদের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি কমিয়ে নিতে পারেন পেটের মেদ।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedin