ফিট থাকতে কি খাব, কখন খাব

|রূপ-কেয়ার ডেস্ক|

rupcare_eating time

সকাল-বিকেল ফল খাচ্ছেন? ঘুম থেকে উঠেই গ্রিন-টি? ভাবছেন তো পারফেক্ট ডায়েটিং করছেন৷ কিন্তু সত্যিই কি তাই? স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ারও নিদির্ষ্ট সময় আছে৷ নাহলে কিন্তু নিটফল শূন্য৷

কেক-পেস্ট্রি
একেবারে ছেড়ে দিতে পারলেই ভালো হয়৷ অগত্যা না পারলে সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটা কেক বা পেস্ট্রি খেতে পারেন৷ নিজের নিউট্রিশাস মিল-এর পরিবর্তে কেক-পেস্ট্রি খাবেন না৷ তবে খেয়াল রাখবেন মাসে এক-দু’বারই এই ব্যতিক্রম চলতে পারে৷

পিৎজা
অনেকক্ষণ ধরে কোনো বোরিং মিটিং চললে তারপর এক টুকরো পিৎজা খেতে পারেন৷ তবে এই এক টুকরোকেই পুরো মিল ভাববেন৷ এর সঙ্গে ফ্রেঞ্চফ্রাই বা কোল্ডড্রিঙ্ক খাবেন না৷

সিরাপ, কোল্ড ড্রিঙ্ক
অনেকক্ষণ রোদে থাকলে তখন কোল্ড ড্রিঙ্ক বা সিরাপ খান৷ কারণ রোদে চিনি কম ক্ষতি করে৷ সারাদিন খুব পরিশ্রম করলে বা ছুটিতে থাকলে দু-তিন দিন অন্তর সিরাপ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক পান কোনো ক্ষতি করে না৷

বিস্কিট
অনেকক্ষণ কোনো ফিজিকাল অ্যাক্টিভিটির পর বিস্কিট খেতে পারেন৷ ট্রেকিং, ঘণ্টা দুয়েক হাঁটা বা আধবেলা শপিং করার পর একটা বা দুটো বিস্কিট চলতে পারে৷ বিস্কিট কিন্ত্ত কেক বা পেস্ট্রির থেকেও বেশি ক্ষতিকারক৷ কারড় বিস্কিট খাওয়ার সময় আমরা কেউই হিসেব রাখি না৷

মিষ্টি, পায়েস, ক্ষীর…
দুপুরে পেট ভরে খাওয়ার আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর একটা মিষ্টি বা এক বাটি পায়েস চলতে পারে৷ রাতের খাবারের সঙ্গে বা পরে মিষ্টি খাবেন না৷ নাহলে ঘুম ভাঙার পর প্রথমেই মিষ্টি খান৷ যেকোনো মিষ্টি বা ডেসার্টকে পুরো মিল হিসেবেই ট্রিট করুন৷ তবে মনে রাখবেন, মাসে এক বা দুবারই চলতে পারে মিষ্টি খাওয়া৷

ভাজাভুজি
সম্ভব হলে এটাও ঘুম ভাঙার পর খান৷ তবে সকালে অনেকেই ভাজাভুজি খেতে পছন্দ করেন না৷ সেক্ষেত্রে বিকেলের দিকে খেতে পরেন৷ এক সঙ্গে অনেক ধরনের ভাজা খাবেন না৷ সপ্তাহে একদিন এই ভাজাভুজি খেতে পারেন৷ তবে ভাজা সঙ্গে মিষ্টি খাওয়া কিন্ত্ত একেবারেই উচিত নয়৷

চিনি
দিনে দুই চা চামচ চিনিই যথেষ্ট৷ তাই যারা চা বা কফিতে চিনি খান তারা কিন্ত্ত রান্নায় চিনি খেতে পারবেন না একবারেই৷

ফল
ঘুম থেকে উঠেই ফল খান৷ নাহলে ওয়র্ক-আউট করার পর৷ সারাদিন ধরে ফল খাবেন না৷ কারণ এতে ফলের ভিটামিনের পরিবর্তে গ্লুকোজ-ই শরীরে যাবে৷ যা শরীরে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে৷

চা-কফি
ঘুম থেকে উঠে কখনওই চা বা কফি খাবেন না৷ সকালে একটা ফল বা কয়েকটা আমন্ড খান৷ কিছুক্ষণ পরে চা বা কফি খান৷ কারণ ঘুম ভাঙার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে কোননোখাবার পেটে যাওয়া প্রয়োজন৷ পানীয় নয়৷ সকালে উঠেই এক কাপ গ্রিন টি পান করে ভাবছেন তো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট পানীয় খেলেন৷ বিষয়টা কিন্ত্ত একেবারেই এরকম নয়৷ কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট-এর অনুপস্থিতিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কাজ করতে পারে না৷ তাই গ্রিন-টি পানের আগে কোনো খাবার খাওয়া প্রয়োজন৷

facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedin