বিমানে উঠতে ভয় পাচ্ছে স্বর্ণা, ফিরতে চান সড়কপথে

rupcare_sharna

ছাড়পত্র পেয়ে সড়কপথে বাংলাদেশে ফেরার কথা জানিয়েছেন স্বর্ণা। এ বিষয়ে কেএমসি হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ড. রাজিভ রাজ মানান্দার বলেন, স্বর্ণা বিমানে উঠতে খুব ভয় পাচ্ছে। সে সড়কপথে বাংলাদেশে ফিরতে চাইছে। আমরা তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, তার শরীরের অবস্থা সড়কপথে ভ্রমণের উপযোগী নয়।

আশঙ্কামুক্ত হয়ে দেশে ফেরার অনুমতি পাওয়া কামরুন্নাহার স্বর্ণা নেপালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, স্বামীই তাকে বাঁচিয়েছেন। তার মতে, এ যেন এক অলৌকিক বেঁচে থাকা।

ইউএস-বাংলার ওই বিমানে স্বর্ণা-মেহেদী দম্পতি ছাড়াও ছিলেন পরিবারের আরও তিন সদস্য। দুর্ঘটনায় হারিয়েছেন ভাসুর (স্বামীর বড় ভাই) ও ভাসুরের আড়াই বছরের সন্তানকে।

ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করে স্বর্ণা বলেছেন, যেভাবে নাকে-মুখে ধোঁয়া ঢুকে গিয়েছিল, ভেবেছিলাম মরেই যাব। তবে কিছুতেই মরে যেতে চাইনি আমি। দুর্ঘটনার সময় বিমানের আসনে আটকা পড়েছিলাম। কিছুতেই বের হতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত আমার স্বামী বিমান থেকে আমাকে টেনে বের করেছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই এতে আগুন ধরে যায়।

সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর তাদের পাসপোর্ট খুঁজে না পাওয়ায় প্রয়োজনীয় ট্রাভেল ডকুমেন্টও তৈরি করছে নেপালে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস।