শাকিব খানের ডিভোর্সের আবেদন বাতিল হয়ে যেতে পারে!

rupcare_shakib apu

‘সিটি করপোরেশনের শুনানিতে আমি গিয়েছিলাম, কিন্তু শাকিব খান বা তার কোনো প্রতিনিধি সেখানে ছিল না। সেখানে আমি জানতে পারি যে শাকিবের বিচ্ছেদ আবেদন বাতিল হতে পারে, কারণ যেসব কাগজ জমা দিতে হয়, তার মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজ সে জমা দেয়নি।’ সিটি করপোরেশনের শুনানি প্রসঙ্গে মঙ্গলবার এসব কথা বলেন অপু বিশ্বাস। তিনি আরো বলেন, ‘আসলে শাকিব রাগের মাথায় এমনটি করেছে। সাধারণভাবে বিচ্ছেদ চাইলে সঠিক ভাবে কাগজ পাঠাত, শুনানিতেও প্রতিনিধি থাকত। অসম্পূর্ণ বিচ্ছেদের কাগজ পাঠাত না।’

শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের অবসান চান না অপু। তিনি বলেন, ‘আসলে কাগজ ঠিক আছে কি না সেটা বিষয় নয়, আমি চাই আগের মতোই আমরা এক সাথে সংসার করব। আমি শাকিবকে এখনো বলব, সময় আছে তুমি ফিরে এসো, কারণ বিষয়টা এখন আর আমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আমাদের একটা সন্তান রয়েছে। শুরু হওয়ার আগে তার জীবনটা শেষ করে দিও না। আমি শাকিবকে যতটা ভালোবাসতাম, এখনো ততটাই বাসি।’

অপু জানান, এখনো তাদের আরো দুটি শুনানি আছে। তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস এরই মধ্যে শাকিব ভুল বুঝতে পারবে এবং স্ত্রী-সন্তানের কাছে ফিরে আসবে। আমাদের সন্তান সম্মানজনক সুন্দর একটি জীবন পাবে। আমদের ভালোবাসাকে সবাই সম্মান করবে।’

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের অঞ্চল ৩-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা সমঝোতার চেষ্টা করছি। কাউকে জোর করা আমাদের কাজ নয়। তবে ৯০ দিনের মধ্যে বিষয়টির সমঝোতা না হলে এমনিতেই তালাক কার্যকর হয়ে যাবে। তবে আমরা আবারও চেষ্টা করব, এজন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বৈঠক ডাকা হয়েছে।’

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খান। তালাকের একটি কপি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে পাঠানো হয়। তারই সূত্র ধরে আজ শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়। গত ২৪ ডিসেম্বর একটি চিঠির মাধ্যমে গতকাল (১৫ জানুয়ারি) সিটি করপোরেশনে হাজির হতে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসকে বলা হয়।

গত বছর এপ্রিলে ঢাকাই ছবির নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। ছবিটি প্রকাশের পর পরই গণমাধ্যমে দীর্ঘদিন গোপনে থাকা বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি খোলাসা করেন অপু।