সু চির ব্যর্থ প্রেমই রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ!

rupcare_su chi

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন অং সান সু চি। ১৯৬৪ সালে এখানে তার আলাপ হয় বিশেষ অনুমতি নিয়ে পড়তে আসা পাকিস্তানের কূটনীতিক তারেক হায়দারের সঙ্গে। আলাপ গড়ায় প্রেমে।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তারেককে খুশি করতে ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করেন সু চি। প্রেম নিয়ে সু চি এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে পরীক্ষাতেও ভালো করতে পারেননি।

পড়াশোনা শেষে পাকিস্তানে ফিরে যান তারেক। সু চি চাইলেও তখন তারেক তাকে বিয়ে করেননি। এতে শোকে বিমর্ষ হয়ে পড়েন সু চি। তখন থেকেই তিনি ধীরে ধীরে মুসলিমবিদ্বেষী হয়ে ওঠেন।

এ বিষয়ে সু চির জীবনীকার পিটার পপহ্যাম ‘দ্য লেডি অ্যান্ড পিক’-এ লিখেছেন, সংস্কৃতিগতভাবে অনেক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সু চি ও তারেক গভীর প্রেমে পড়েছিলেন। সু চি প্রায় বছরখানেক বিরহে বিমর্ষ ছিলেন।

তার মতে, এসময় ইংল্যান্ডে সু চির পুরনো পারিবারিক বন্ধু স্যার পল গর বুথ ও মিসেস বুথের পুত্র ক্রিস্টোফার তার প্রয়াত স্বামী মাইকেল অ্যারিসের পরিচয় করিয়ে দেন। ১৯৭২ সালে তারা বিয়ে করেন।

সু চির ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছুই না কি জটিলতায় পূর্ণ ও বৈপরীত্যে ভরা বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
সু চির এই ব্যর্থ প্রেমকে অনেকেই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের কারণ হিসেবে দেখছেন।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় গণমাধ্যম আজকাল-এ প্রকাশিত খবরে এসব কথা বলা হয়েছে।