১৪টি লক্ষণে বুঝে নিন আপনি মিলিয়নিয়র হতে পারবেন কিনা

rupcare_symptoms of a millionaire

প্রায় সকলেই ধনী হতে চান। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনী হতে পারলে বেশির ভাগ মানুষেরই জীবনের প্রায় সব, ৬৭% সমস্যাই দূর হয়ে যায়। তার মানে ধনী হওয়ার অর্থ হলো, জীবনে সমস্যা কম থাকা।

কারো জীবনে সমস্যা যত কম হবে মানসিক চাপও ততই কম থাকবে। মানসিক চাপ কম থাকার মানে হলো আরো স্বাস্থ্যবান এবং সুখী জীবন যাপনের সুযোগ তৈরি হওয়া।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৪টি লক্ষণ দেখে বোঝা যাবে কেউ ধনী হতে পারবেন কিনা।

আসুন দেখে নেওয়া যাক আপনার মাঝেও সেই লক্ষণগুলো আছে কিনা :

১. আপনার জীবনে বড় কোনো স্বপ্ন বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য আছে
গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৮০ শতাংশই জীবনে বড় স্বপ্ন বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের পেছনে ছুটেছেন।

২. প্রতিদিনই নতুন কিছু শেখার জন্য পড়ার অভ্যাস আছে
আপনার যদি প্রতিদিনই নতুন নতুন জিনিস শেখার জন্য প্রচুর পড়াশোনার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে আপনার ধনী হওয়ার সম্ভাবনা অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৮৮ শতাংশই প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করে রাখেন শুধু নতুন কিছু শেখার উদ্দেশ্যে পড়াশোনার জন্য।

৩. আপনি একজন মালিকের মতোই ভাবতে অভ্যস্ত
আপনার মাঝে একজন মালিকের মতোই মনোভাব রয়েছে। আপনি অন্যদের তুলনায় অনেক বড় চিন্তা করেন। আপনার জীবনের বড় কোনো লক্ষ্য-উদ্দেশ্য রয়েছে। আপনি যা কিছু করেন তার সবকিছুরই মালিকানা নিজের হাতে নিয়ে নেন। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের ৯০ শতাংশই ডিসিশন মেকার বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।

৪. দায়িত্ব গ্রহণে পিছপা হন না
আপনি দায়িত্ব গ্রহণে পিছপা হন না। এমনকি আপনি সব সময়ই বেশি বেশি দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ সন্ধান করেন।

৫. সাবধানে ঝুঁকি নেন
ঝুঁকি নেওয়ার ব্যাপারে আপনি বেপরোয়া নন বরং সাবধানী লোক। সাবধানী লোকরা কোনো বিষয়ে ঝুঁকি নেওয়ার আগে সে বিষয়ে পর্যাপ্ত হোমওয়ার্ক করেন, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেন। তারা যে বিষয়ে তাদের দক্ষতা ও জ্ঞান আছে শুধু সে বিষয়েই ঝুঁকি নেন। আর যেসব বিষয়ে তারা ঝুঁকি নেন সে সবকে সফল ব্যবসায় রুপান্তরিত করার আগে তারা নতুন নতুন ধারণার প্রচলন এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

৬. পদক্ষেপ গ্রহণে ভয় নেই
কোনো পদক্ষেপ গ্রহণে আপনি ভীত নন। কারণ…

৭. আপনি ব্যর্থতাকে ভয় পান না
ব্যর্থতাকে আপনি শুধু নতুন অভিজ্ঞতা লাভের উপায় হিসেবেই গণ্য করেন; তার বেশি কিছু নয়।

৮. আপনি অন্যদের চেয়ে বেশি সময় ধরে কাজ করেন
আপনি দিনের পর দিন, সপ্তাহব্যাপী, মাসজুড়ে ও বছরজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে ভয় পান না। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনীরা অন্যদের চেয়ে সপ্তাহে অন্তত ১১ ঘন্টা বেশি সময় ধরে কাজ করেন।

৯. নতুন নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেন
আপনি নিজেকে জীবনে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে সেসব অর্জনের পেছনে ছোটেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনীদের ৮০ শতাংশই বিশেষ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেই কাজ করেন। তারা প্রায় সকলেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ করে এর পেছনে ছুটতে অভ্যস্ত।

১০. প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যেতে চান
আপনি মানভিত্তিক মনোভাবসম্পন্ন মানুষ। আপনি সব সময়ই অন্যদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যেতে চান।

১১. সম্পর্কের ব্যাপারে খুবই সচেতন
যে সম্পর্কগুলোকে আপনি মূল্যবান মনে করেন সেগুলোর ব্যাপারে আপনি খুবই যত্নবান। জন্মদিনে বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে আপনি শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য তাদেরকে ফোন দেন। ধন্যবাদ দিয়ে কার্ড পাঠান। নিজের মূল্যবান সম্পর্কগুলোর জীবনের গুরুত্বপুর্ণ ঘটনাকে স্বীকৃতি দেন আপনি। নিজের মূল্যবান সম্পর্কগুলোকে আপনি স্বর্ণের মতোই মূল্যবান মনে করেন। সম্পর্কই আপনার মুদ্রা।

১২. অন্যদের সঙ্গে সহজেই মিশতে পারেন
লোকে আপনাকে পছন্দ করে এবং আপনার সঙ্গে কাজ করতে ও লেনদেন করতেও পছন্দ করে। লোককে আপনি নিজেদের ব্যাপারে উচ্চ ধারণা পোষণ, নিজেকে সুখী ভাবতে এবং উদ্যোমী ও আশাবাদি হয়ে উঠতে উদ্বুদ্ধ করেন।

১৩. দলবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন
আপনি লোকের সঙ্গ পছন্দ করেন বলেই দলগতভাবে কাজ করতে খুবই পছন্দ করেন। জীবনে কেউই একা একা সফল হতে পারেন না। প্রতিটি ধনী ব্যক্তিরই সাফল্যের পেছনে তাদের সঙ্গী-সাথীদের অবদান রয়েছে।

১৪. সম্পর্কগুলো সাফল্য কেন্দ্রিক
আপনার সম্পর্কগুলোর বেশির ভাগই সাফল্য লাভের উদ্দেশ্যে তৈরি। আপনি সমমনা ও সাফল্য প্রত্যাশী লোকদের সঙ্গ পছন্দ করেন।